Tuesday, March 16, 2010

Lyrics- Protirodh

Tuesday, March 16, 2010
০১.অজয় বাগদি

অজয় বাগদি ঝুলছে দেখ, মরুদ্যানের কয়েদখানায়,
দড়ি জোগায় পার্টি-পুলিশ-- তারাই গণতন্ত্র বানায়।

নন্দীগ্রামের গান শুনলেই, মাওবাদী আর তেলেঙ্গানা।
কবীর সুমন গান বেঁধেছি-- বাঁধবি কাকে, কয়েদখানা?


একনলা নয়, দোনলা নয়, নেহাৎ কিছু গানের সুরে
মাও-কবীরের দোহার এখন, লিরিক-বারুদ দিচ্ছে পুরে।

অজয় বাগদি জেলার ছেলে, বাগদি-ছেলের জ্যান্ত বুকে
নন্দীগ্রামের খবর এখন,হাওয়ার সঙ্গে যাচ্ছে ঢুকে।


তন্ত্র-গণ-তন্ত্র-গণ, মন্ত্র-গণ-সংসদীয়--
অজয় তোমার ভোটটা এবার,পাচ্ছে কারা বাতলে দিও।

তন্ত্র-গণ-তন্ত্র-গণ, মন্ত্র-গণ-সংসদীয়--
অজয় তোমার ভোটটা এবার, পাচ্ছে কারা বাতলে দিও।


গানগুলো কি কালাশনিকভ? গানগুলো কি অন্তর্ঘাত?
বাগদি-ঘরের ছেলে, অজয়, প্রসন্ন নয় তোমার বরাত।

বরাত ভালো আমার বরং, বর্ণহিন্দু শহুরে প্রাণ।
চাটুজ্যেটা কবীর হলেও,শ্রেণীর গন্ধ আমার এ-গান।


জেহাদ ডাকছি, অজয়, শোনো, -- 'হামলা' বলো বিদ্রোহীরা --
আমার গিটার কালাশনিকভ, হোক না বুড়ো আমার শিরা।

জেহাদ ডাকছি, অজয়, শোনো, -- 'হামলা' বলো বিদ্রোহীরা --
আমার গিটার কালাশনিকভ, হোক না বুড়ো আমার শিরা।


বদলা নেব গানেই আমি, কলির সন্ধ্যে এই তো সবে;
পরের বারে দেখবি আমার, বাগদি-ঘরেই জন্ম হবে।

বদলা নেব গানেই আমি, কলির সন্ধ্যে এই তো সবে;
পরের বারে দেখবি আমার,বাগদি-ঘরেই জন্ম হবে।

০২.বামজ্বর

কার সাথে আছি বড় কথা নয়, কার বিরুদ্ধে আছি
শত্রুর শত্রুকেই পেয়েছি, সংগ্রামে কাছাকাছি।

যার সাথে খুশি থাকব এখন, বিরুদ্ধতাই থাক
যা খুশি হওয়ার হোক গিয়ে আগে, বাম সরকার যাক।

যাক আগে ঐ বড় শরিকটা, উদ্ধত কান কাটা
ঝেটিয়ে বিদায় করুক ওদের গ্রাম বাঙলার ঝাঁটা।

কে আছো এখনো ফাঁকতালে চাও, একটু বাম বিকল্প
এখনো খোয়াব অথচ বলছো, নন্দীগ্রামের গল্প।

কার সাথে আছি বড় কথা নয়, কার বিরুদ্ধে আছি
শত্রুর শত্রুকেই পেয়েছি, সংগ্রামে কাছাকাছি।

কার সাথে আছি বড় কথা নয়, কার বিরুদ্ধে আছি
শত্রুর শত্রুকেই পেয়েছি, সংগ্রামে কাছাকাছি।

বাম ডান সব নিকুচি করেছি, গণ হত্যার পর
বদলা নেওয়ার দাওয়াই সারাবে, বাঙালীর বামজ্বর।
 
বাম ডান সব নিকুচি করেছি, গণ হত্যার পর
বদলা নেওয়ার দাওয়াই সারাবে, আমাদের বামজ্বর।

কার সাথে আছি বড় কথা নয়, কার বিরুদ্ধে আছি
শত্রুর শত্রুকেই পেয়েছি, সংগ্রামে কাছাকাছি।




ব'সে আঁকো (Bose ako)


০১.ব'সে আঁকো
০২.সূর্য বললো ইস্
০৩.এক মুহুর্তে ফিরিয়ে দিলে
০৪.হটাৎ রাস্তায়
০৫.সকাবেলার রোদ্দুর
০৬.রেখাবের রুপ
০৭.
মেঘদূত
০৮.জমি বেঁচার টাকা
০৯.এক একটা দিন
১০.খাতা দেখে গান গেওনা
১১.চালসের গান
১২.ভরসা থাকুক





Lyrics- Isse holo

১.বাঁশুরিয়া

বাঁশুরিয়া বাজাও বাঁশি দেখিনা তোমায়, গেয়ো সুর ভেসে বেড়ায় শহুরে হাওয়ায়।
এ শহরে এসছো তুমি কবে কোন রাজ্য থেকে, তোমাদের দেশে বুঝি সব মানুষই বাঁশি শেখে?
আমাদের স্কুল কলেজে শেখে লোকে লেখাপড়া, প্রাণে গান নাই মিছে তাই রবি ঠাকুর মূর্তি গড়া।
তোমার ওই দেহাতি গান........
তোমার ওই দেহাতি গান দোলে যখন বাঁশির মুখে, আমদের নকল ভন্ড কৃষ্টি চালায় করাত বুকে।
বুকে আর গলায় আমার শহর কলকাতায়.....গেয়ো সুর ভেসে বেড়ায় শহুরে হাওয়ায়।
বাঁশুরিয়া বাজাও বাঁশি দেখিনা তোমায়..........

ঠেলা ভ্যান চালাও তুমি কিম্বা ভাড়া গাড়ির ক্লিনার, ক' বছরে একবার যাও তোমার দেশে নদীর কিনার।
ফাক পেলে বাঁশি বাজাও ফেলে আসা ঘরের ডাকে, দেশে গিয়ে এমন সুরে হয়তো ডাকো কলকাতাকে।
ফিরে এসে উদম খাটো গায়ে গতরে ব্যস্ত হাতে, মজুরীতে ভাগ বসাচ্ছে কারা তোমার কলকাতাতে?
তাদেরই গাইয়ে আমি সাজানো জলসায়..............গেয়ো সুর ভেসে বেড়ায় শহুরে হাওয়ায়।
বাঁশুরিয়া............
বাঁশুরিয়া বাজাও বাঁশি দেখিনা তোমায়..........গেয়ো সুর ভেসে বেড়ায় শহুরে হাওয়ায়।


০২.ইচ্ছে হ'ল

ইচ্ছে হ'ল একধরনের গঙ্গা ফরিং, অনিচ্ছেতেও লাফায় খালি তিরিং বিরিং। ।
ইচ্ছে হ'ল একধরনের বেড়ালছানা, মিহি গলার আবডারে সে খুব সেয়ানা।

ইচ্ছে হ'ল একধরনের মগের মুলুক, ইচ্ছে হাওয়ায় অনিচ্ছেটাও দুলছে দুলুক।।
ইচ্ছে হ'ল একধরনের আতশবাজি, রাতটাকে সে দিন করে দেয় এমন পাজী।

ইচ্ছে হ'ল একধরনের দস্যি মেয়ে, দুপুরবেলা দাদুর আচার ফেললো খেয়ে।।
ইচ্ছে হ'ল একধরনের পদ্য লেখা, শব্দে সুরে ইচ্ছে ক'রে বাঁচতে শেখা।।
ইচ্ছে হ'ল একধরনের পাগালা জগাই, হটাৎ করে ফেলতে পারে যা খুশি তাই।
ইচ্ছে হ'ল একধরনের স্বপ্ন আমার, মরবো দেখে বিশ্ব জুড়ে যৌথ খামার।



১০.নবাব নবাবী করে

নবাব নবাবী করে, নেতা নেতাগিরি, ট্রেনে ট্রেনে গান গায়, বাউল ভিখিরী।।
দালাল তোয়াজ করে, দাদা গাজোয়ারী, রিকশায় শিষ দেয় জোয়ান সওয়ারি।
যুবকরা প্রেম করে, পৌঢ়রা ঘর, ঘরে ঘরে হানা দেয় বাজারের দর।।
মানুষ...........
মানুষ ভরসা খোঁজে দিনে আর রাতে, ছেলেমেয়েগুলো যেন থাকে দুধে ভাতে।

খেলোয়ার খেলে আর দেখোয়ার দেখে, এত দেখে তবু লোকে পদে পদে ঠেকে।
লেখকরা লেখে আর প্রকাশক ছাপে, সাহিত্য মরে পূজো সংখার চাপে।
বেকার চাকরি খোঁজে প্রমটার প্লট, ধর্মের ষার খোঁজে হিং টিং ছট।
মানুষ...........
মানুষ ভরসা খোঁজে দিনে আর রাতে, ছেলেমেয়েগুলো যেন থাকে দুধে ভাতে।

নাচিয়েরা নেচে নেয়, বাঁচিয়েরা বাঁচে, বাঁচবে কি করে লোকে নিভে যাওয়া আঁচে?
তবলিয়া ঠেকা দেয়, আঁকিয়েরা রঙ, তালে তাল দিয়ে যায়, হ্যা হ্যা বলা সং।
থলি হাতে যায় লোকে অলিতে গলিতে, জীবন আসলে বাঁধা পাকস্থলিতে।
মানুষ ভরসা খোঁজে দিনে আর রাতে, ছেলেমেয়েগুলো যেন থাকে দুধে ভাতে।

মানিয়েরা মেনে নেয় একধার থেকে, কেউ কেউ যায় তবু প্রতিবাদ রেখে।
নাইয়েরা স্নান করে, গাইয়েরা গান, পাইয়েরা পেয়ে যায়, খাইয়েরা খান।
ছেলেরা আড্ডা দেয়,
ছেলেরা আড্ডা দেয়, গোয়ালীনী ঘূঁটে, মিছিমিছি কালি দেয়, যারা হিংসুটে।
মানুষ ভরসা খোঁজে দিনে আর রাতে, ছেলেমেয়েগুলো যেন থাকে দুধে ভাতে।

বক্তা বকনি মারে, ভাত মারে কারা, রাজনীতি দিয়ে ঢাকা কাদের চেহারা?
কেউ ছোড়ে হাতবোমা, কেউ বা প্রণামী, গান ছুড়ে ছুড়ে করি টাকার গোলামী।
গোলাম মালিক খোঁজে,
গোলাম মালিক খোঁজে, মালিক গোলাম,
গোলাম মালিক খোঁজে, মালিক গোলাম, গোলাম হোয়েও আমি গেয়ে রাখলাম।
মানুষ ভরসা খোঁজে দিনে আর রাতে, ছেলেমেয়েগুলো যেন থাকে দুধে ভাতে।

Lyrics-Tero(Kabir Suman)

০৮.কার্তিক

cm.. g# ......cm....
cm.... g#.. cm
কার্তিক তোর নতুন দোকান, পুরোনোটা ভাঙ্গলো পুলিশ
cm g#...........bb cm
দরমার ঠেকনো দিয়ে, অবাক চায়ের দোকান খুলিস্‌।

cm...............f
পুরোনো চিলতে জমি, কফি পার্লারের পেটে।
..................bb cm
তোর এই শহরটাকে, বেনিয়া নিচ্ছে চেটে।

যৌবন আসছে তেড়ে, ইংলিশ এফ এম বেতার same as first para
......................g
কদাকার ল্যাজটা নেড়ে, শোনা যাক ফাসুন্ডি তার।

তবে তুই কোন দেশীরে, খেটে খেতে চান্‌ এ দেশে same as second para
ভিখিরীর তালুক এটা, না খেয়েই মরগে শেষে

তোর চায়ে মন ভরেনা, এ শতক অন্য মনের
বিনিয়োগ আসতে দেনা, এ শতক বিশ্বায়নের।

থেকে যা খাল পাড়ে তুই, খুলে ফির নতুন দোকান
আমি আর কি বা পারি,বড়জোর একখানা গান।




০২.প্রবীণ আঙ্গুলগুলি

সারাদিন পিয়ানোয়, প্রবীণ আঙ্গুলগুলি, খেলা করে
বহুদিন আগে তিনি এসেছেন, আমাদের এ শহরে।

কখনো চারুকেশীর দুঃখিনী, চলনে আলাপ।
কখনো ইউরোপীয় ছন্দের, ম্‌দু উত্তাপ।
স্বরচিত সুরে তার, কল্যাণ ঠাঁট খেলা করে।
বহুদিন আগে তিনি..............


স্বরলিপি করে রাখা, অর্কেষ্টার যন্ত্রনা।
রবীন্দ্রনাথ তার কানে কানে, দেন মণ্ত্রনা।
ইউনিভক্সে তার ব্যাথা,চুপি চুপি খেলা করে।
বহুদিন আগে তিনি..............


০৪.কবে দেবে দেখা

কারুর বাবা চায়ের দোকান দেন, কারুর আব্বা পেশায় ক্ষেত মজুর।
সবার ঘরে তেলের বাতি জ্বলে, ইলেকট্রিকের বাতি অনেকদুর।

কেউ বসে যায় বাপের সংগে কাজে, কেউ চলে যায় ক্ষেতের কাজে রোজ।
সবার ইচ্ছে আরেকটু দূর যাবার। মিঠু সমীর সাবিনা আফরোজ।

কারুর আম্মা বড্ড গরীব বউ, কারুর মায়ের পেশা মালা গাথাঁ।
কারুর বাবা ভিক্ষে করে বাঁচে, কিনবে কারা অংক কষার খাতা।

কারুর বাবা সবজি ফেরী করে, কারুর আব্বা রিকশা চালায় একা।
পড়ছে মেয়ে তারই ছোট্ট ঘরে, অন্য জীবন কবে দেবে দেখা।

বাকি গান গুলোর লিরিকস আসছে...........


০৭.আকাশ এখন জানলার ফ্রেম

আকাশ এখন জানলার ফ্রেমে ধরা, মনে মনে তাকে পাঁচ দিয়ে গুণ করা।
গুণফলে শুধু বারান্দা দিয়ে দেখা, আরেকটুখানি আকাশের সীমারেখা।

দূরবীনে দেখা সলিম আলীর পাখি, কার্নিশে চলে শালিকের ডাকাডাকি।
চড়ুই লাফায় গরাদের ফাকে ফাকে, বাটিক পর্দা আমল দেয়না তাকে।

ঘরের জায়গা জিনিসের বেদখলে, বেরেছে জিনিস পয়সা বেরেছে বলে।
মনে মনে তাকে দশ দিয়ে গুণ করে, জানলার ফ্রেমে আকাশ দেখছি ভোরে।
আকাশ এখন..........

chords and download link will appear soon.......


০১.আমার ভিতরে বাহিরে

আমার ভিতরে বাহিরে অন্তরে অন্তরে ,
আছো তুমি হৃদয় জুড়ে।

ঢেকে রাখে যেমন কুসুম, পাপড়ির আবডালে ফসলের ঘুম।
তেমনি তোমার নিবিঢ় চলা, মরমের মূল পথ ধরে।

পুষে রাখে যেমন কুসুম, খোলসের আবরণে মুক্তোর ঘুম।
তেমনি তোমার গভীর ছোঁয়া, ভিতরের নীল বন্দরে।

ভাল আছি ভাল থেকো, আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখো।
দিয়ো তোমার মালাখানি, বাউলের এই মনটারে।
আমার ভিতরে বাহিরে.........


০৫.কেমন আছো

কতকালের সেই ঠিকানায়,
আমার স্মৃতির একটি পাতায় ......কেমন আছো।
আগের মতই রিকশা থেকে,
নামছো তুমি আমায় দেখে ......কেমন আছো।

এখনও সেই পাঞ্জাবীটা
হাড়িয়ে যাওয়া সেই চাবিটা ......কেমন আছো।
অ্যালবামে ছোটবেলার ছবি,
স্মৃতিতে মাহমুদন্নবী ......কেমন আছো।

ক্লাস পালিয়ে দেখা হত
দেখতে দেখতে সময় যেত ......কেমন আছো।
ঝিলের ধারে হঠাৎ বিকেল,
শুইয়ে রাখা বাইসাইকেল ......কেমন আছো।

আসিফ আসতো ছুটির দিনে
স্কুলের বন্ধু রাস্তা চিনে ......কেমন আছো।
সারা সকাল আড্ডা দিতে,
রাজনীতিরও খবর নিতে ......কেমন আছো।

তর্ক হত চরতো গলা
উকিঁ দিতেন বাড়িওয়ালা ......কেমন আছো।
মাস গেলে থোক মাইনে নিয়ে,
রাখতে কিছু ব্যাংকে গিয়ে ......কেমন আছো।

জমা খরচ হিসেব নিকেশ,
কোথায় শুরু কোথায় বা শেষ ......কেমন আছো।
অনেক বছর পেড়িয়ে এলাম,
হটাৎ তোমার দেখা পেলাম ......কেমন আছো।


১১. ওপাড়ে কেকা

যেখানে দুজন শুধু দু জনের, ঠিকানা পেলাম তোমার মনের।
চোখের তারায় ঠিকানা লেখা, এপাড়ে কুহু, ওপাড়ে কেকা।

যেখানে স্পর্ষে স্পর্ষ মেলে, সেখানে কে তুমি আমায় পেলে?
আমার বুকের না পাওয়া গানে, চোখের পানিতে কাহিণি লেখা।
এপাড়ে কুহু, ওপাড়ে কেকা।

মেঘের আদর আকাশের বুকে, মেঘ ভাংগা রোদ তোমার আমাকে।
এ নয়নে হাসি ও চোখে কান্না, হাসতে গিয়েও কাঁদতে শেখা।
এপাড়ে কুহু, ওপাড়ে কেকা।